‘জঙ্গিবাদী সংগঠন পরিকল্পিত ভাবে রুপমকে হত্যা করেছিলো’

নানা আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে শহীদ দেবাশীষ ভট্টাচার্য রুপম দিবস পালন করেছে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী। বুধবার সকাল ৯ টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্প অর্পনের মাধ্যমে কর্মসূচী শুরু হয়।

এদিন সকালে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর কেন্দ্রীয় কমিটি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ও ঢাকা মহানগর শাখার নেতৃবৃন্দ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্প অর্পন করেন। বিকেল ৪টায় বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও মহানগর শাখার উদ্যোগে ১৩ই ফেব্রুয়ারি রুপম দিবস এবং ১৪ই ফেব্রুয়ারি স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবসকে কেন্দ্র করে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক উলুল আমার অন্তর এবং সঞ্চালনা করেন ঢাকা মহানগরের সাধারণ সম্পাদক সাকিব আব্দুল্লাহ। সভায় বক্তব্য প্রদান করেন বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর কেন্দ্রীয় সভাপতি ইকবাল কবির, সহসভাপতি সাদেকুল ইসলাম সোহেল, গণতান্ত্রিক শ্রমিক ফেডারেশনের আহবায়ক ও সাবেক ছাত্রনেতা শামীম ইমাম, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী ঢাকা মহানগর শাখার সভাপতি রাকিন আবসার অর্ণবসহ প্রমুখ।

 

সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৯৫ সালে রুপমকে হত্যা করে দেশ বিরোধী সংগঠন ইসলামি ছাত্র শিবিরের ক্যাডার বাহিনী। দেবাশীষ ভট্টাচার্য রুপম অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির অন্যতম ধারক, বাহক ও সংগঠক হিসেবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে নেতৃত্ব দিতেন বলেই জঙ্গিবাদী সংগঠন শিবির পরিকল্পিত ভাবে রুপমকে হত্যা করেছিলো। রুপম যেই লড়াই করতে গিয়ে জীবন দান করেছে সেই লড়াই অব্যাহত রাখার যৌক্তিকতা এখনো রয়েছে। কারণ এখনো বাংলাদেশে ধর্মীয় দলগুলোকে টিকিয়ে রেখেছে এবং প্রতিনিয়ত অপব্যবহার করে চলেছে ক্ষমতাসীন দলগুলো। তাই রুপম যেই লড়াই সংগঠিত করে গিয়েছিলেন তা অব্যাহত রাখা জরুরি।

 

একইসাথে ১৪ই ফেব্রুয়ারি স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবসকে বাংলার মানুষের সামনে বারংবার তুলে আনারও বাস্তবতা রয়েছে বলে মনে করেন বক্তারা। এ প্রসঙ্গে বক্তারা বলেন দিপালী, জয়নাল, কাঞ্চনদের আত্মদানের ১৪ই ফেব্রুয়ারির ইতিহাস আমাদের যেকনো স্বৈরাচারের পতন ঘটানোর সাহস যোগাতে ও স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের পথ দেখাতে অনন্য দৃষ্টান্ত হতে পারে।

 

Leave A Reply

Your email address will not be published.