ম্যাচে ইতিবাচক কিছু পাচ্ছেন না মাশরাফি

গত বছর বেশ কিছু সুখস্মৃতি ছিল বাংলাদেশ দলের। উইন্ডিজ থেকে ওয়ানডে সিরিজ জিতে ফেরা। ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়েকে ধবলধোলাই। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ জয়। তার আগে এশিয়া কাপের ফাইনালে খেলা। কিন্তু সব প্রাপ্তি যেন ম্লান হয়ে গেল নিউজিল্যান্ড সফরে গিয়ে। বিরুদ্ধ কন্ডিশনে জয় না পাক লড়াই করবে টাইগাররা। ভক্তদের অন্তত এই প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু প্রথম দুই ম্যাচে বাজে হারে বছর শুরু করল বাংলাদেশ। বিশ্বকাপের আগে বেরিয়ে গেছে দলের দগদগে ক্ষত।

 

প্রথম ম্যাচে হারের কারণ ছিল ব্যাটিং বিপর্যয়। দ্বিতীয় ম্যাচেও তাই। ব্যাটিং যেন প্রথম ওয়ানডের রিপ্লে ছিল দ্বিতীয় ম্যাচ। প্রথম ম্যাচে শতরানের মধ্যে ছয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এ ম্যাচে পাঁচ উইকেট। সিরিজ শুরুর ম্যাচে বাংলাদেশ বোলাররা ভালো বোলিং করেছেন বলে দাবি করেন মাশরাফি। যদিও সেই ভালো চোখে পড়ার মতো নয়। দ্বিতীয় ওয়ানডে থেকে বাংলাদেশ ওয়ানডে অধিনায়ক বলার মতো কোন ইতিবাচক দিক খুঁজে পাচ্ছেন না।

 

দলের হয়ে নিউজিল্যান্ডের দুই উইকেটই নিয়েছেন বাঁ-হাতি পেসার মুস্তাফিজুর। অধিনায়কের চোখে ভালো করেছেন ফিজ। এছাড়া মোহাম্মদ মিঠুন রান পেয়েছেন এ ম্যাচেও। যদিও ইনিংসটা বড় করতে পারেননি। আউট হয়েছেন দৃষ্টিকটু ভাবে। কিন্তু দল হিসেবে ভালো খেলতে না পারায় হারতে হয়েছে বলে উল্লেখ করেন মাশরাফি।

তিনি বলেন, ‘কঠিন একটা দিন ছিল। সকালটা বল করার জন্য খুবই ভালো ছিল। শুরুতে উইকেট হারালেও মুশফিক সেট হয়ে যায়। কিছু জুটি গড়তে পারলে…। মিঠুনের রান পাওয়া ইতিবাচক দিক। কিন্তু টপ অর্ডারে আমাদের অনেক ভালো রান করতে হতো। মুস্তাফিজ ভালো বোলিং করেছে। কিন্তু এ ম্যাচে থেকে নেওয়ার মতো আর তেমন ইতিবাচক দিক নেই। দল হয়ে খেলতে হবে আমাদের। দুই ম্যাচেই আমরা ২২০ থেকে ২৩০ রান করেছি। অন্তত ২৭০ থেকে ২৮০ করতে হতো। হাতে এক ম্যাচ আছে দেখা যাক।’

 

Leave A Reply

Your email address will not be published.